Tag Archive

Jhar 31st August 2026


Posted on August 31, 2026 by Syamal Das

মুর্শিদাবাদের বিড়ি শ্রমিকরা ভালো নেই : শ্রমমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদদাতা □ জল্পিপুর — রাজ্যের শ্রম ও পরিবহনমন্ত্রী অর্জুন সিং-এর পৌরোহিত্যে গত ২৫ আগস্ট উত্তরবঙ্গ ও মুর্শিদাবাদ জেলার চট বিড়ি শিল্প নিয়ে পৃথক দুটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হল জল্পিপুর সার্কিট হাউসে।

বিড়ি শ্রমিক ও মালিক সংগঠন, জেলা ও রাজ্য স্তরের শ্রমদপ্তরের আধিকারিকগণ এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। মালিক সংগঠনের প্রতিনিধি শ্রীরাজ কুমার জৈন, শ্রমিক সংগঠনের পক্ষে সিটু, আইএনটিইউসি, এ আইইউটিইউসি, বিএমএস ও ইউ টি ইউ সি’র প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন। এ আই ইউ টি ইউ সি অনুমোদিত বিড়ি ওয়ার্কার্স এন্ড এমপ্লয়িজ ফেডারেশন মুর্শিদাবাদ জেলা সম্পাদক আনিসুল আমিন তার লিখিত বক্তব্যে বিড়ি শ্রমিকদের জন্য ধুলিয়ানের তারাপুরে অবস্থিত কেন্দ্রীয় হাসপাতালের জরুরি সংস্কার, বিড়ি শ্রমিকদের পরিচয়পত্র, জল্পিপুরে পি এফ এর ব্রাঞ্চ অফিস খোলা, ফ্যাক্টরির কর্মচারীদের নির্দিষ্ট বেতন কাঠামো, সকল বিড়ি শ্রমিকদের সরকার নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবির সঙ্গে বছরে অন্তত দুবার ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের প্রস্তাব রাখেন। ২০২০ সালের পর থেকে আজ পর্যন্ত সরকার বিড়ি শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা করেনি, সেকথাও তিনি উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের যে সমস্যা বিড়ি মহল্লায় ঘুরে দেখলাম, তাতে একবার দু’বার নয় প্রয়োজনে আরো বেশি করে বৈঠক করতে হবে। সাধারণ খাতায় পি এফ -এর হিসাব রাখতে দেখলাম। এটা ঠিক নয়। তিনি হাসপাতালের সংস্কার ও আধুনিকীকরণের কথাও বলেন। বিড়ি ওয়ার্কার্স এন্ড এমপ্লয়িজ ফেডারেশন, মুর্শিদাবাদ জেলা সম্পাদক জানান ১৯৭৮ সালে বিড়ি শ্রমিক কল্যাণ প্রকল্প আইন চালু হয়। তখন হাজার বিড়ি প্রতি ৫ টাকা সেস চালু ছিল। সেই টাকায় বিড়ি শ্রমিকদের ছাত্রছাত্রীদের স্কলারশিপ, বিড়ি শ্রমিকদের বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রকল্প, গৃহনির্মাণ, ভ্রমণ সহ নানারকম প্রকল্প চালু ছিল। বর্তমানে এই আইন বাতিল করা হয়েছে। ফলে শ্রমিকরা সেই সব সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আইন অনুযায়ী বিড়ি শ্রমিকদের পরিচয়পত্র দেওয়ার কথা বিড়ি মালিকদের। মালিকদের সুবিধার্থে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের অফিস থেকে তা দেওয়া হত। আইনি জটিলতার কারণে এখন শ্রমিকরা তা পায়না। রাজ্যে কমপক্ষে যদি ২৫ হাজার নতুন বিড়ি শ্রমিক থাকে তার মধ্যে অন্তত ১০ হাজার নতুন বিড়ি শ্রমিকের আই কার্ড নেই। এই কারণে নতুন বিড়ি শ্রমিকদের সন্তানরা বিড়ি শ্রমিকদের স্কলারশিপ, স্বাস্থ্য প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অক্যুপেশনাল হেল্থ হাজার্ডস এর জন্য বিড়ি শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বন্ধ থাকা মানে ধীরে ধীরে তাদের মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া। এই রাজ্যে প্রায় ১৮-১৯টি স্ট্যাটিক কাম মোবাইল মেডিকেল ইউনিট চালু ছিল। গরীব বিড়ি শ্রমিকরা তাতে উপকৃত হত। বর্তমানে প্রায় সবগুলি অচল। এখন সেস বন্ধ হলেও বিড়িতে ২৮ শতাংশ জি এস টি চালু আছে। যার ৫০ শতাংশ পায় রাজ্য সরকার। আমাদের দাবী জি এস টির টাকা বিড়িশ্রমিক কল্যাণেই ব্যয় করা হোক। বিড়ি শ্রমিকদের পি এফ আইন লাগু হয় ১৯৭৯ সালে। এই পিএফের সাথে তাদের পেনশনের ব্যবস্থা আছে। কিন্তু পরে সিপিএম সরকার ২০ টাকার পিএফ চালু করলে তাতেও বিড়ি শ্রমিকদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যার সাথে পেনশনের কোন ব্যবস্থা নেই। সমস্ত বিড়ি শ্রমিক দের এই পেনশন যুক্ত পিএফের অন্তর্ভুক্ত করা দরকার। এ ব্যাপারে পিএফ ও রাজ্য সরকারের এম ডব্লিউ আই উভয়েরই সক্রিয়তার প্রয়োজন।

শ্রমিক নেতারা বলেন, এর আগেও অনেক বৈঠকে অনেক প্রতিশ্রুতি হয়েছে। এখন নতুন সরকার কি করে তা দেখার।

Read the full publication below


0

অরণ্য সপ্তাহ’২০২৫


Posted on July 30, 2025 by Syamal Das

নীলাদ্রি মজুমদার, ১৯শে জুলাই’২০২৫, শনিবারঃ- আজ মুর্শিদাবাদ জিলা বিজ্ঞান পরিষদের উদ্যোগে এবং বিজ্ঞান পরিষদের সদস্য পরিবেশকর্মী দিবাকর কর্মকারের ব্যবস্থাপনায় দৌলতাবাদ প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সুন্দলপুর গ্রামে “অরণ্য সপ্তাহ” উদযাপন উপলক্ষে “বনমহোৎসব’২০২৫” পালন করা হয়। বনবিভাগের ক্ষেত্র-আধিকারিক, বহরমপুর দক্ষিণ ক্ষেত্র, সত্তরটি বিভিন্ন ধরনের গাছের চারা অনুমোদন করেছেন এবং বিজ্ঞান পরিষদের সৌমেন বিশ্বাস বাঞ্জেটিয়া নার্শারী থেকে সংগ্রহ করে দৌলতাবাদ পাঠিয়ে দেন।   

সুন্দলপুরের সমাজসেবী দীনবন্ধু মন্ডল, নিখিল মন্ডল, জটিল কৃষ্ণ প্রামাণিকদের সাথে সমবেত গ্রামবাসীরা প্রবল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে সুন্দলপুর গ্রামের রাস্তার দুই পাশে গাছ লাগান। গাছের সংখ্যা সীমিত হওয়ার জন্য, এখানে কুড়িটা গাছ দেওয়া হয়। দীনবন্ধু মন্ডলের মধ্যস্থতায় পাঁচটি গাছ গ্রামের গাছপ্রেমী মানুষের হাতে তুলে দেন দিবাকর কর্মকার, সৌমেন বিশ্বাস প্রমূখ। বাকী চারা গ্রামের বিভিন্ন জায়গায় রাস্তার ধারে, মোড়ে লাগানো হয়। কয়েকটি গাছ সঙ্গে সঙ্গে বাঁশের তৈরি জাফরি দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়। গ্রামবাসীরা দায়িত্ব নিলেন অন্য গাছগুলোও সেদিনেই ঘিরে দিবেন। মুর্শিদাবাদ জিলা বিজ্ঞান পরিষদের মানস মজুমদার বিজ্ঞান পরিষদ থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞান পত্রিকা “এবং কি কে ও কেন”-এর বিভিন্ন সংখ্যার কয়েকটি পত্রিকা মাননীয় নিখিল মন্ডলের হাতে তুলে দেন।  

একই দিনে ১৯শে জুলাই, দৌলতাবাদ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাননীয় দেবাশীষ দাস প্রার্থনা সভায় ছাত্রছাত্রীদেরকে বৃক্ষ রোপনের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। নশিপুর হাই মাদ্রাসার প্রাক্তন সহকারী শিক্ষক, শিক্ষাব্রতী ও বিজ্ঞান পরিষদের বরিষ্ঠ সদস্য মাননীয় বিশ্বনাথ মন্ডল অরণ্য সপ্তাহ এবং বনমহোৎসবের উদ্দেশ্য ও উপযোগিতার কথা সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন। প্রধান শিক্ষক দেবাশীষ দাস একজন ছাত্র ও অভিভাবকের হাতে চারা গাছ তুলে দিয়ে গাছ বিতরণ শুরু করেন। সকলের উদ্দেশে বলেন – প্রকৃতি পরিচয় ভিন্ন প্রাথমিক শিক্ষা সম্পূর্ণ হয় না। প্রকৃতির সাথে পরিচয় আবশ্যিক। দিবাকর কর্মকারের তদারকীতে অল্প সংখ্যক গাছের চারা সুষ্ঠভাবে বিতরণ করা হয়। বিজ্ঞান পরিষদের মানস মজুমদার ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিতরণের জন্য মুর্শিদাবাদ জিলা বিজ্ঞান পরিষদ থেকে প্রকাশিত “এবং কি কে ও কেন”এর পঞ্চাশটি পত্রিকা প্রধান শিক্ষকে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিতরণের জন্য প্রদান করেন।

বিজ্ঞান পরিষদের প্রতিনিধি সৌমেন বিশ্বাস অরণ্য সপ্তাহের উদ্দেশ্য ও উপযোগিতা বিষয়ে বিশদ আলোচনা করেন এবং “গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান” বাণী সকলের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার আবেদন করেন। আভিভাবকদের আশ্বস্ত করেন আগামী দিনে সকলে যেন গাছ পান, তার চেষ্টা করবে। অমন্ত্রিত অতিথি মুর্শিদাবাদ বেতার শ্রোতা পরিবারের প্রতিনিধি ও বিশিষ্ট কবি কালিপদ হাজরা বৃক্ষ রোপণ পরবর্তী গাছের পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে আলোচনা করেন। দৌলতাবাদ প্রাথমিক বিদ্যায়ের শিক্ষক/শিক্ষিকা ইকবাল হোসেন, চম্পা খাতুন, সীমা সরকারের সহায়তায়  শিক্ষক সাহিত্যিক ও প্রকাশক নির্মলেন্দু কুন্ডুর দক্ষ ব্যবস্থাপনায় সমগ্র অনুষ্ঠানটি সকলের মনোগ্রাহী হয়েছে। মুর্শিদাবাদ জিলা বিজ্ঞান পরিষদের সম্পাদক ও আহ্বায়ক ডঃ মিহির কুমার দত্তর বার্তা – ছাত্রছাত্রী এবং যুবসম্প্রদায় আগামী দিনের প্রকৃতি-পরিবেশের একমাত্র ভরসা। গ্রামবাসীরাই পারেন সবুজায়ণে সবুজ বিপ্লব ঘটাতে। বিশ্ববাসীর কাছে তাঁর আবেদন “প্রকৃতি ও পরিবেশের যত্ন নিন, নতুন প্রজন্মকে শিক্ষা দিন”।


0

Heritage shrines face erosion threat from Bhagirathi


Posted on December 1, 2024 by Syamal Das

Recent Bhagirathi erosion causes threat to the heritage buildings which are standing on the river side. Itihas Parikrama, a History research society of Berhampore West Bengal apprehends that if the proper steps are not taken by the concerned authority the most important heritage buildings/ structures of Bengal including the temple complex of Rani Bhabani’s Char Bangla Mandir at Ajimganj, Murshidabad will collapsed. The renowned English daily “The Statesman” published the following news in it’s Kolkata Plus page on March 29, 2016, titled “Heritage shrines face erosion threat from Bhagirathi” Itihas Parikrama adds the illustrations.


0