Jhar 14th September 2026


Posted on September 18, 2026 by Syamal Das

স্কুলের বন্যার জল
ক্লাবে, মন্দিরে ক্লাস

মিঠু কর্মকার □ কান্দি — সমস্যা প্রায় ১৪ বছরের। এবছরও বন্যার জল ঢুকেছে স্কুল ঘরে। ছাত্রছাত্রীদের ক্লাস চলছে গ্রামের মন্দির, ক্লাবঘর, কখনো বা ফ্লাডশেল্টারে। কান্দি ব্লকের ৭ নম্বর রাজারামপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এমনি দশা। অন্যদিকে ২০০০ সালের বন্যার পর থেকে প্রতিবর্ষায় স্কুল চত্বরে জলমগ্ন হয়ে পড়ছে। এই সময়কালে ছাত্রছাত্রীদের কার্যত ক্লাসরুম থেকে বেরোনো নিষেধ। বড়অগ্রা ব্লকের গোদাপাড়া পুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এবছরও এই নিয়মের কোন ব্যতিক্রম হয়নি।

রাজারামপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রী রয়েছে ৫৭জন, শিক্ষক রয়েছেন তিনজন। প্রায় ১৪বছর ধরে নিকাশি সমস্যায় ভুগছে স্কুলটি। আগে গ্রামের অধিকাংশ এলাকা থেকে একটি বড় নালার মাধ্যমে বর্ষার জল নিকাশি হতো। কিন্তু ২০১২ সালে ওই নালা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে বর্ষা নামলেই স্কুল চত্বর ভেসে যায় বর্ষার জলে। প্রধান শিক্ষক সন্তুম কুমার অধিকারী বলেন, প্রশাসনের কাছে বহুবার সমস্যা লিখিত আকারে জানিয়েছি। সমস্যা মেটেনি, তাই প্রতিবারের মতন এবছরও ছাত্রছাত্রীদের ক্লাস নিতে হচ্ছে গ্রামের মন্দিরে, ক্লাবঘরে আবার ফ্লাড শেল্টারে। গত ৩ আগস্ট শেষবারের মতন স্কুলে মিডডে মিল তৈরি হয়েছিল। ওইদিন এত বৃষ্টি হয় যে খাবার জলে ভেসে যায়। তারপর থেকে মিডডে মিলও বন্ধ।

অন্যদিকে বড়অগ্রা ব্লকের গোদাপাড়া পুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সমস্যা ২০০০ সালের বন্যার পর থেকে। সেবারের বন্যায় গোটা স্কুলটাই বন্যার তোড়ে ভেসে গিয়েছিল। স্কুল ভবন পুরোটাই নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। এরপর নতুন ভবন তৈরি হলেও স্কুল চত্বর এখনো নিচু রয়েছে। ফলে প্রতিবারের মতন এবারও স্কুল চত্বর জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। ওই স্কুলে ছাত্রছাত্রী রয়েছে প্রায় সাড়ে তিনশো। শিক্ষক রয়েছেন আটজন। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দেবব্রত সরকার বলেন, স্কুল চত্বর শুধু জলে ঠেকে গিয়েছে বলে নয়। নোংরা জলে রোগের ভয়, ছাত্রছাত্রীদের পড়ে যাওয়ার ভয় ছাড়াও সাপের উপদ্রব রয়েছে।

দুটি ঘটনার প্রেক্ষিতে কান্দি মহকুমা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, বড়অগ্রার স্কুলটির সমস্যা মেটানোর কাজ শুরু হয়েছে। বর্ষার পর কান্দির প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Read the full edition here


Uncategorized

0

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Itihas Parikrama